এন আই সি ইউ

এন আই সি ইউ

এন আই সি ইউ

NICU হলো হাসপাতালের একটি বিশেষায়িত বিভাগ, যেখানে জন্মের পর অসুস্থ, অপরিণত বা বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন এমন নবজাতক শিশুকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সার্বক্ষণিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
ইনকিউবেটর: শিশুর শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তা: অক্সিজেন, CPAP বা ভেন্টিলেটরের মাধ্যমে শ্বাস নিতে সাহায্য করা হয়।
ফটোথেরাপি: নবজাতকের জন্ডিসের চিকিৎসায় বিশেষ নীল আলো ব্যবহার করা হয়।
খাওয়ানোর ব্যবস্থা: বুকের দুধ বা প্রয়োজনীয় পুষ্টি টিউবের মাধ্যমে দেওয়া হতে পারে।
নিয়মিত পর্যবেক্ষণ: শিশুর হার্টবিট, শ্বাস-প্রশ্বাস, অক্সিজেনের মাত্রা ও তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

এ্যাম্বুলেন্স

২৪/৭ ঘন্টা এ্যাম্বুলেন্স সার্বিস চালু আছে। ফোন নাম্বার -০১৩০৮-৫৬৬০৯৪,

এ্যাম্বুলেন্স

এ্যাম্বুলেন্স

ইইজি

ইইজি

ইইজি

EEG-এর পূর্ণরূপ হলো Electroencephalogram (ইলেকট্রোএনসেফালোগ্রাম)। এটি মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ পরীক্ষা করার একটি পদ্ধতি।

১. মৃগী রোগ (Epilepsy): খিঁচুনি কেন হচ্ছে তা নির্ণয়ে সাহায্য করতে।
২. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: অজ্ঞান হওয়ার কারণ বুঝতে।
৩. ঘুমের সমস্যা: কিছু নির্দিষ্ট ঘুমের রোগ শনাক্ত করতে।
৪.মস্তিষ্কের কার্যকারিতা: মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপে অস্বাভাবিকতা আছে কি না দেখতে।
৫.মাথায় আঘাত বা মস্তিষ্কের কিছু রোগ: মস্তিষ্কের কার্যকলাপ মূল্যায়ন করতে।

এক্স-রে

#এক্স-রে কেন করা হয়? এক্স-রে বিভিন্ন রোগ ও শারীরিক সমস্যা নির্ণয়ে সাহায্য করে।

১. বুকের এক্স-রে (Chest X-ray) নিউমোনিয়া, ফুসফুসে পানি জমা, কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং বুকের কিছু সমস্যা শনাক্ত করতে।
২. হাড়ের এক্স-রে (Bone X-ray) হাড় ভাঙা, হাড়ে ফাটল, জয়েন্টের সমস্যা বা আঘাত শনাক্ত করতে।
৩. মেরুদণ্ডের এক্স-রে (Spine X-ray) মেরুদণ্ডের হাড়ের অবস্থান, আঘাত ও কিছু হাড়ের পরিবর্তন দেখতে।
৪. দাঁতের এক্স-রে (Dental X-ray) দাঁতের গোড়া, দাঁতের ক্ষয়, আক্কেল দাঁত এবং চোয়ালের কিছু সমস্যা শনাক্ত করতে।
এক্স-রে

এক্স-রে

সিটি-স্ক্যান

সিটি-স্ক্যান

সিটি-স্ক্যান

সিটি স্ক্যানের পূর্ণরূপ হলো Computed Tomography (CT Scan)। এটি একটি আধুনিক চিকিৎসা পরীক্ষা, যার মাধ্যমে শরীরের ভেতরের অঙ্গ, হাড়, রক্তনালি ও বিভিন্ন টিস্যুর বিস্তারিত ছবি তোলা হয়।

১. মাথার সিটি স্ক্যান (CT Brain) মাথায় আঘাত, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, স্ট্রোক, টিউমার ও কিছু স্নায়বিক সমস্যার মূল্যায়নে করা হয়।
২. বুকের সিটি স্ক্যান (CT Chest) ফুসফুসের রোগ, টিউমার, সংক্রমণ এবং বুকের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সমস্যা শনাক্ত করতে।
৩. পেটের সিটি স্ক্যান (CT Abdomen) লিভার, কিডনি, অগ্ন্যাশয়, অন্ত্র ও পেটের অন্যান্য অঙ্গের সমস্যা নির্ণয়ে।

ইকো-কার্ডিওগ্রাম

এটি সাধারণত ব্যথাহীন ও নিরাপদ পরীক্ষা। এতে এক্স-রে রশ্মি ব্যবহার করা হয় না।

হার্টের পাম্প করার ক্ষমতা: হার্ট কতটা কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করছে তা দেখতে।
হার্টের ভালভের সমস্যা: ভালভ সরু হয়ে যাওয়া বা ঠিকমতো বন্ধ না হওয়া শনাক্ত করতে।
হার্টের আকার ও গঠন: হার্টের কোনো অংশ বড় হয়েছে কি না বা গঠনে সমস্যা আছে কি না দেখতে।
জন্মগত হৃদ্‌রোগ: জন্ম থেকেই হার্টে কোনো ত্রুটি আছে কি না জানতে।
হার্ট ফেইলিউর: হার্টের কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করতে।
হার্ট অ্যাটাকের পর: হার্টের পেশির কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করতে।
ইকো-কার্ডিওগ্রাম

ইকো-কার্ডিওগ্রাম

এন্ডোস্কপি ও কোলনোস্কপি

এন্ডোস্কপি ও কোলনোস্কপি

এন্ডোস্কপি ও কোলনোস্কপি

দুটি পরীক্ষাতেই ক্যামেরাযুক্ত একটি সরু, নমনীয় নল ব্যবহার করা হয়। তবে এন্ডোস্কপি সাধারণত খাদ্যনালি ও পাকস্থলী পরীক্ষা করে, আর কোলনোস্কপি বৃহদান্ত্র পরীক্ষা করে। ১. এন্ডোস্কপি (Endoscopy) কী? এন্ডোস্কপি বলতে সাধারণত আপার জিআই এন্ডোস্কপি বা গ্যাস্ট্রোস্কপি বোঝানো হয়। এই পরীক্ষায় মুখ দিয়ে একটি সরু ক্যামেরাযুক্ত নল প্রবেশ করিয়ে খাদ্যনালি, পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ দেখা হয়। এন্ডোস্কপি কেন করা হয়? দীর্ঘদিনের গ্যাস্ট্রিক বা পেটের ওপরের অংশে ব্যথার কারণ জানতে। খাবার গিলতে সমস্যা হলে। দীর্ঘদিন বমি বা বমি বমি ভাব থাকলে। রক্তবমি বা কালো পায়খানার কারণ অনুসন্ধানে। পাকস্থলীর আলসার, প্রদাহ বা টিউমার শনাক্ত করতে। প্রয়োজন হলে টিস্যুর নমুনা (বায়োপসি) সংগ্রহ করতে। ২. কোলনোস্কপি (Colonoscopy) কী? কোলনোস্কপি হলো বৃহদান্ত্র ও মলদ্বারের ভেতরের অংশ পরীক্ষা করার একটি পদ্ধতি। এতে মলদ্বার দিয়ে ক্যামেরাযুক্ত একটি সরু, নমনীয় নল প্রবেশ করিয়ে বৃহদান্ত্রের ভেতরের আবরণ দেখা হয়। কোলনোস্কপি কেন করা হয়? দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ অনুসন্ধান করতে। পায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলে তার কারণ জানতে। দীর্ঘদিনের পেটব্যথা বা মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন হলে। বৃহদান্ত্রের প্রদাহ, যেমন আলসারেটিভ কোলাইটিস শনাক্ত করতে। পলিপ বা বৃহদান্ত্রের ক্যানসার শনাক্ত করতে। প্রয়োজনে পলিপ অপসারণ বা বায়োপসি করতে।

খাদ্যনালী, পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রের শুরুর অংশ পরীক্ষা করা হয়।
গ্যাস্ট্রিক, আলসার, প্রদাহ ও রক্তপাতের কারণ শনাক্তে সহায়ক।
প্রয়োজন হলে টিস্যুর নমুনা (বায়োপসি) নেওয়া যায়।
বৃহদান্ত্র ও মলদ্বারের ভেতরের অংশ পরীক্ষা করা হয়।
পলিপ, প্রদাহ, আলসার, রক্তপাত ও অন্যান্য অস্বাভাবিকতা শনাক্তে সহায়ক।
দীর্ঘদিনের পেটের সমস্যা বা মলত্যাগের পরিবর্তনের কারণ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

ফার্মেসী

ফার্মেসী হলো এমন একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, যেখানে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

💊 প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ সরবরাহ
🩺 প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী ও মেডিকেল ডিভাইস সরবরাহ
✅ ওষুধের নাম, ডোজ ও ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে নির্দেশনা
📦 মানসম্মত ওষুধ সংরক্ষণ ও সরবরাহ
🕐 জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ওষুধ সরবরাহ
👨‍⚕️ চিকিৎসক ও রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা
ফার্মেসী

ফার্মেসী

অপারেশন থিয়েটার

অপারেশন থিয়েটার

অপারেশন থিয়েটার

অপারেশন থিয়েটার হলো হাসপাতালের একটি বিশেষভাবে প্রস্তুত ও নিয়ন্ত্রিত কক্ষ, যেখানে রোগীদের বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার বা সার্জারি করা হয়। এখানে সংক্রমণের ঝুঁকি কম রাখা, জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা এবং নিরাপদ অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকে।

অস্ত্রোপচার: সাধারণ ও জটিল সার্জারি সম্পাদন।
আধুনিক সার্জিক্যাল লাইট: অস্ত্রোপচারের স্থান স্পষ্টভাবে দেখার সুবিধা।
অ্যানেস্থেসিয়া ব্যবস্থা: অস্ত্রোপচারের সময় ব্যথা নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয় অ্যানেস্থেসিয়া প্রদান।
রোগীর পর্যবেক্ষণ: হার্ট রেট, রক্তচাপ, অক্সিজেনের মাত্রা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ।
জীবাণুমুক্ত যন্ত্রপাতি: সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি যথাযথভাবে জীবাণুমুক্ত রাখা।
জরুরি সহায়তা: প্রয়োজন অনুযায়ী অক্সিজেন, সাকশন ও জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবস্থা।

ল্যাবরেটরী

প্যাথলজি (Pathology) হলো রোগ নির্ণয়ের জন্য শরীরের বিভিন্ন নমুনা—যেমন রক্ত, প্রস্রাব, পায়খানা, কফ, শরীরের তরল, কোষ ও টিস্যু—পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাবিজ্ঞান। এসব পরীক্ষার ফল চিকিৎসককে রোগ শনাক্ত, রোগের অবস্থা মূল্যায়ন এবং চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।

হেমাটোলজি (Hematology) রক্ত ও রক্তের কোষ সম্পর্কিত পরীক্ষা।
ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্ট্রি (Clinical Biochemistry) রক্ত ও অন্যান্য নমুনায় বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের মাত্রা পরিমাপ করা হয়।
মাইক্রোবায়োলজি (Microbiology) ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অন্যান্য জীবাণু শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
ক্লিনিক্যাল প্যাথলজি (Clinical Pathology) শরীরের বিভিন্ন তরল ও নির্গত পদার্থ পরীক্ষা করা হয়।
হিস্টোপ্যাথলজি (Histopathology) শরীর থেকে সংগ্রহ করা টিস্যু মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে পরীক্ষা করে রোগের পরিবর্তন শনাক্ত করা হয়।
অনলাইন রিপোর্ট
ল্যাবরেটরী

ল্যাবরেটরী

আপনার সুস্থতাই আমাদের কাম্য

অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন